১৫ জানুয়ারি, ২০২৩ ০২:২১

দুবাইয়ে ৪৫৯ বাংলাদেশির বাড়ি: তদন্তের নির্দেশ হাইকোর্টের

আমাদের কাগজ ডেস্ক: দুবাইয়ে ৪৫৯ বাংলাদেশির বাড়ি আছে কি না, সে বিষয়ে তদন্ত চালাতে বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ), দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক), পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে (এনবিআর) তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

রোববার বিচারপতি নজরুল ইসলাম তালুকদার বিচারপতি খিজির হায়াতের হাইকোর্ট বেঞ্চ আদেশ দেন। এক মাসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতেও নির্দেশ দেয়া হয়েছে। ছাড়া অর্থ পাচার করে দুবাইয়ে বাড়ি কেনা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা, তা জানতে চেয়ে রুলও জারি করেছেন আদালত।

নিয়ে গত ১২ জানুয়ারি জনস্বার্থে হাইকোর্টে আবেদন করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সুবীর নন্দি দাস। আবেদনে দুদক, বিএফআইইউ, এনবিআর সিআইডিসহ সংশ্লিষ্টদের বিবাদী করা হয়। ওই আইনজীবী বলেন, বিষয়ে ২০২১ সালে রিট করা আছে। সেই রিটের সঙ্গে সম্পূরক আবেদন করা হয়েছে। আজ শুনানি নিয়ে আদালত আদেশ দিয়েছেন।

সম্প্রতি একটি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত দুবাইয়ে ৪৫৯ বাংলাদেশির হাজার প্রপার্টি শিরোনামের প্রতিবেদন যুক্ত করে আবেদনটি করা হয়।

ওই প্রতিবেদনে পত্রিকাটি উল্লেখ করে, বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে প্রকাশ্যে গোপনে বিপুল পরিমাণ মূলধন স্থানান্তর হচ্ছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে। এই অর্থ পুনর্বিনিয়োগে ফুলে-ফেঁপে উঠছে দুবাইয়ের আর্থিক, ভূসম্পত্তি, আবাসনসহ (রিয়েল এস্টেট) বিভিন্ন খাত।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সেন্টার ফর অ্যাডভান্সড ডিফেন্স স্টাডিজের (সিএডিএস) সংগৃহীত তথ্য বিশ্লেষণের ভিত্তিতে ইইউ ট্যাক্স অবজারভেটরি জানিয়েছে, বাংলাদেশে তথ্য গোপন করে দুবাইয়ে সম্পত্তি কিনেছেন ৪৫৯ বাংলাদেশি। ২০২০ সাল পর্যন্ত তাদের মালিকানায় সেখানে ৯৭২টি প্রপার্টি ক্রয়ের তথ্য পাওয়া গেছে, কাগজে-কলমে যার মূল্য সাড়ে ৩১ কোটি ডলার।

 

 

আমাদের কাগজ/টিআর 

আরো খবর